জ্বালানি তেল ও সার সংগ্রহের জন্য প্রস্তাব অনুমোদন সরকারের 

দেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে আজ প্রায় ২১ লাখ টন জ্বালানি তেল ও ৬০ হাজার টন সার সংগ্রহের জন্য পৃথক প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকার।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে আজ ভার্চ্যুয়ালি অনুষ্ঠিত এ বছরের সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
ভার্চুয়াল বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান জানান, আজকের সভায় মোট ১০টি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের একটি প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) প্রায় ১৮,২১৫.৫২ টাকা কোটি টাকা ব্যয়ে বিভিন্ন দেশের সাতটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি-জুন সময়ে প্রায় ২০.৪০ লাখ টন পরিশোধিত জ্বালানি তেল ক্রয় করবে।
পরিশোধিত জ্বালানি তেল ইন্দোনেশিয়ার বিএসপি, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)’র ইনোক, ভারতের আইওসিএল, চীনের পেট্রোচায়না, মালয়েশিয়ার পিটিএলসিএল, থাইল্যান্ডের পিটিটিটি এবং চীনের ইউনিপেক থেকে আমদানি করা হবে।


মাহবুব বলেন, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর সময়ে বিপিসি ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে প্রায় ৫৪৫.০৪ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রায় ৬০ হাজার টন ডিজেলও সংগ্রহ করা হবে।
তিনি বলেন, শিল্প মন্ত্রণালয়ের দুটি পৃথক প্রস্তাব অনুসারে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফার্টিগ্লোব ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড থেকে দশম লটের আওতায় আগের মূল্য প্রতি মে. টন ৪৮০ ডলারের বিপরীতে ৪৭০ ডলার দরে প্রায় ১৫০.০৮ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রায় ৩০,০০০ টন বাল্ক দানাদার ইউরিয়া সার ক্রয় করবে।
এছাড়া বিসিআইসি সৌদি আরবের কাছ থেকে প্রায় ১৪৯.৩৬ কোটি টাকা ব্যয়ে আরও ৩০ হাজার টন ইউরিয়া সার সংগ্রহ করবে।

এ ক্ষেত্রে প্রতি টন সারের দাম পড়বে আগের মূল্য টন প্রতি ৫৫১.৬৭ ডলারের বিপরীতে ৪৭০ ডলার।