
আফগানিস্তান থেকে সামরিক সরঞ্জাম পুনরুদ্ধার সম্পর্কে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যকে ‘আবেগপ্রবণ’ বলে অভিহিত করেছে কাবুল। বাগরাম বিমানঘাঁটি চীনের হাতে রয়েছে বলে ট্রাম্পের করা দাবিও খারিজ করে দিয়েছে আফগান প্রশাসন।
তালেবানের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে সঠিক তথ্য নেই। ট্রাম্প দাবি করছেন বাগরাম চীনের হাতে, অথচ এটি পুরোপুরি আফগান বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে। সেখানে কোনো চীনা সশস্ত্র ব্যক্তি নেই এবং কোনো দেশের সঙ্গে এমন কোনো চুক্তিও নেই।
মুজাহিদ প্রশ্ন তুলেছেন, ট্রাম্প এত উচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তি হয়েও কেন ভুল তথ্য ছড়াচ্ছেন? তিনি মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের নেতার যথাযথভাবে কথা বলা উচিত।
তালেবান মুখপাত্র জানিয়েছেন, ইউরোপীয় দেশগুলো আফগানিস্তানের অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক স্থাপন করতে চায়। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিভিন্ন চুক্তির কারণে তারা তা করতে পারছে না।
তিনি অভিযোগ করেছেন, কিছু দেশ এখনও আফগানিস্তানের বর্তমান প্রশাসনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ-কেন্দ্রিক নীতি অব্যাহত রেখেছে। যুক্তরাষ্ট্রের মনোভাব এখনও যুদ্ধকালীন মানসিকতার মতোই রয়েছে। যতদিন তারা তাদের মনোভাব পরিবর্তন না করে এবং নিজেদের সৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা দূর না করে, ততদিন তারা আফগানিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবে না।
কুশ তেপা খাল নির্মাণ প্রকল্প ফারিয়াব প্রদেশে পৌঁছেছে জানিয়ে মুজাহিদ আশ্বস্ত করেছেন, আফগানিস্তানের পানি সম্পদ ভাগ করা প্রতিবেশী দেশগুলোর অধিকার ক্ষুণ্ন হবে না।
তিনি দাবি করেছেন, কিছু দেশ আফগানিস্তানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক বজায় রেখেছে, তবে বিভিন্ন কারণে তারা সেগুলো প্রকাশ্যে ঘোষণা করতে চাইছে না।