
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় সেহরির সময় ইসরায়েলি বাহিনীর অতর্কিত হামলায় নিহতের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে। সবশেষ ৪০০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই নারী ও শিশু। আহত ছাড়িয়েছে ৫৬২ জনে।
মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) সর্বশেষ আপডেটে এ তথ্য জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
গাজার মেডিকেল সূত্রের বরাতে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আল-জাজিরা।
মেডিকেল সূত্রগুলো বলেছে, গাজাজুড়ে ইসরাইলি বিমান হামলায় কমপক্ষে ৪০০ জন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে গাজার উত্তরাঞ্চলের ১৫৪ জন রয়েছেন।
কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে জানিয়েছে, টেলিগ্রামে দেয় বিবৃতিতে বলছে, ইসরায়েলি বিমান হামলায় ৪০০ জন নিহত হয়েছে। তবে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে জানিয়েছে, ৪১৩ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। মন্ত্রণালয় যোগ করেছে, ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও অনেকে আটকে আছেন।
প্রসঙ্গত, সোমবার রাত ২টার দিকে আকস্মিকভাবে গাজায় বোমা হামলা চালানো শুরু করে দখলদাররা। কয়েক ঘণ্টা স্থায়ী এ হামলায় মুহূর্তের মধ্যে ঝরে যায় শত শত মানুষের প্রাণ। আহতের জন্য গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সেখানকার সব হাসপাতালে সাধারণ মানুষকে রক্তদানের অনুরোধ জানিয়েছে। রক্তের স্বল্পতার পাশাপাশি ব্যাথানাশক ওষুধ এবং ব্যান্ডেজের সংকটেও পড়েছেন চিকিৎসকরা।
দখলদার ইসরায়েল বলেছে, হামাস তাদের ওপর হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল এবং তারা তাদের জিম্মিদের মুক্তি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এ কারণে সোমবার রাতে হামলা চালানো হয়েছে। যদিও হামাস জানিয়েছিল, পূর্বের চুক্তি অনুযায়ী যদি ইসরায়েল গাজা যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপে প্রবেশ করে তাহলে তারা সব জিম্মিকে একসঙ্গে মুক্তি দিয়ে দেবে। কিন্তু দখলদার এতে সম্মত হয়নি।