
ঈদযাত্রায় ফিটনেসবিহীন বাস ব্যবহার করা হয়, ঈদে ঘরে ফেরা যাত্রী পরিবহনে। পুরোনো লক্কর-ঝক্কর বাস চকচকে করে তোলার জন্য ঈদ এলেই রং তুলির আঁচড়ে সাজানো হয়। এসব বাসে চড়তে একদিকে যেমন গুনতে হয় বাড়তি ভাড়া, অন্যদিকে যুক্ত হয় দুর্ঘটনার ঝুঁকি।
আসন্ন ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে অসাধু পরিবহন মালিক শ্রমিকদের দৌরাত্ম্য দমনে শনিবার (২২ মার্চ) সকালে গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে বেড়িবাঁধ পর্যন্ত বিভিন্ন গ্যারেজ ও গাড়ির বডি তৈরির কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।
এ সময় ধরা পড়ে নানা অনিয়ম। তবে জোড়া তালি দিয়ে বাসকে নতুন রূপ দেয়া ওয়ার্কশপ কর্তৃপক্ষের দাবি, আইনের বিষয়ে অবগত নন তারা। কেউ কেউ দাবি করছেন ইদ উপলক্ষে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতেই ফিটনেস চেকিং ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে রংচঙ করা হয়।
তবে অভিযানে উঠে আসা বেআইনি কাজের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকপক্ষকে সতর্ক করে মুচলেকা নেন বিআরটিএ আদালত-৩ এর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান।
ডিএমপির মিরপুর ডিভিশনের এডিসি ইয়াসিনা ফেরদৌস জানান, ঝুঁকি নিরসনে ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিয়মিত অভিযান ও টহল অব্যাহত থাকবে।