
রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে নির্বাচনের আগেই সংস্কার চায় খেলাফত মজলিস। আজ শনিবার (২২ মার্চ) সকালে জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ অবস্থানের কথা জানান দলটির মহাসচিব আহমদ আবদুল কাদের।
তিনি বলেছেন, আমরা জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের ১৬৬টি প্রস্তাবের মধ্যে ১৪০টিতে ঐকমত্য পোষণ করেছি। ১০টিতে ঐকমত্য হয়নি, আর ১৫টিতে আংশিকভাবে একমত। আমরা মনে করি, প্রয়োজনীয় সংস্কার ১০ মাসে করা সম্ভব। এটা অধ্যাদেশ জারি করে করা উচিত। বিদ্যমান সংস্কার নির্বাচনের আগেই সম্ভব।
রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য আরও আলোচনার দরকার আছে মন্তব্য করে আবদুল কাদের বলেন, দ্বিমতের বিষয়ে উভয় পক্ষ আলোচনা করেছি। আমরা চেষ্টা করেছি, উনারা চেষ্টা করেছেন। এক পর্যায়ে এসে আলোচনা ড্র হয়েছে। আরও সময় লাগবে। কিছু বিষয়ে উনারা বলেছেন, ‘বিবেচনা করব’।
তিনি আরও বলেন, আমরাও বলেছি, কিছু বিষয়ে আমরাও বিবেচনা করব। কৌশলগত কিছু বিষয়ে সব রাজনৈতিক দল ঐকমত্য হলে আমরা আপত্তি করব না।
বর্তমান সংবিধানে রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলা রয়েছে। এসবের পরিবর্তে ‘সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্র’র কথা সুপারিশ করেছে সংবিধান সংস্কার কমিশন।
এই বহুত্ববাদের প্রয়োজন খেলাফত মজলিস দেখছে না জানিয়ে আবদুল কাদের বলেন, সংবিধানে মহান আল্লার প্রতি আস্থা বিশ্বাস রাখতে হবে। বহুত্ববাদ বাদ দিতে হবে। আমরা বলেছি গণতন্ত্রই এনাফ; উনারা অনেক যুক্তি দিয়েছিল। আমরা বলেছি গণতন্ত্র, মানবিক মর্যাদা থাকলে সমাজে কোনো ধরনের বিভেদ থাকে না; বহুত্ববাদের কোনো প্রয়োজন নাই।