
ফিলিস্তিনপন্থীদের বিক্ষোভে যোগ দেওয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, কলম্বিয়ার রাষ্ট্রপতি গুস্তাভো পেট্রোর ভিসা বাতিল করা হবে। তার বিরুদ্ধে বেপরোয়া ও উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ আনা হয়েছে।
শনিবার ২৭ সেপ্টেম্বর আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা গেছে।
পররাষ্ট্র দপ্তর এক পোস্টে জানায়, শুক্রবার সকালে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট নিউ ইয়র্ক সিটির একটি রাস্তায় দাঁড়িয়ে মার্কিন সেনাদের আদেশ অমান্য করার আহ্বান জানিয়েছেন এবং সহিংসতা উস্কে দিয়েছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যদিও পেট্রোর কর্মকাণ্ড সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি, তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে— তিনি জাতিসংঘ সদর দপ্তরের বাইরে হাজারো ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে যোগ দেন।
ঘটনাটি ঘটেছে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কের চতুর্থ দিনে।
একটি ভিডিও ক্লিপে পেট্রোকে বলতে শোনা যায় যে, তার দেশ বিশ্বের মুক্তির জন্য সেনাবাহিনী প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতিসংঘে একটি প্রস্তাব পেশ করার পরিকল্পনা করছে।
বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশ্যে তার ভাষণের অনানুষ্ঠানিক অনুবাদে পেট্রো বলেন, বিশ্ব জাতিসমূহ সেনাবাহিনীতে সৈন্য প্রেরণ করবে, যা আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচারের আদেশ কার্যকর করবে এবং মার্কিন সেনাবাহিনীর চেয়ে বৃহত্তর হতে হবে।
কলম্বিয়ার নেতা বলেন, আমি মার্কিন সেনাবাহিনীর সকল সৈন্যকে মানবতার দিকে বন্দুক না তোলার জন্য অনুরোধ করছি। ট্রাম্পের আদেশ অমান্য করুন। মানবতার আদেশ মেনে চলুন।
রয়টার্স সংবাদ সংস্থা বলছে, কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্টের ভিসা বাতিলের বিষয়ে মন্তব্য জানাতে পেট্রোর অফিস এবং কলম্বিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সাড়া দেয়নি।