
অতীতে কোনো সিইসি পদত্যাগ করেননি। কোনো সিইসির পদত্যাগের রেকর্ড এ দেশে নেই আদালতে এক প্রশ্নের জবাবে এভাবেই উত্তর দেয় না সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।
ভোটারবিহীন প্রহসনের নির্বাচন অনুষ্ঠানের অভিযোগে বিএনপির করা মামলায় আজ বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) রিমান্ড শুনানি হয়। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোস্তাফিজুর রহমানের আদালতে শুনানির সময় সাবেক সিইসি আদালতের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
কাজী হাবিবুল আউয়াল আরও বলেন, ‘এটি ছিল প্রহসনের নির্বাচন। তবে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা না হওয়ার কারণেই এই ডামি নির্বাচন করা হয়েছে।’
হাবিবুল আউয়ালের এমন উত্তরের পর তাকে আদালত প্রশ্ন করেন, তাহলে আপনি পদত্যাগ করলেন না কেন? আদালতের এই প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে যান হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেন, অতীতে কোনো সিইসি পদত্যাগ করেননি। পদত্যাগ করার রেকর্ড এ দেশে নেই।
তিনি বাংলাদেশ স্বাধীনের পর শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলে নির্বাচন ও ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে কথা বলেন। এসব নির্বাচনের বিভিন্ন অনিয়মের দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তখনো কোনো সিইসি বা নির্বাচন কমিশনার পদত্যাগ করেননি।
পরে শুনানি শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার ১০ দিনের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। গতকাল বুধবার তাকে মগবাজার এলাকা থেকে আটক করে পুলিশ।
উল্লেখ্য, প্রহসনের নির্বাচন করার অভিযোগে ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৎকালীন সিইসি কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে তৎকালীন সিইসি কে এম নূরুল হুদা, ২০২৪ সালের নির্বাচনে তৎকালীন সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়ালসহ ২৪ জনের নাম উল্লেখ করে ২২ জুন সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন খান।