
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ২৪ এর গণআন্দোলনের এক সাহসী তরুণ ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়েছে। ওসমান হাদি শহীদ হয়েছেন। ওসমান হাদি চেয়েছিলেন এ দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হোক।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় রাজধানীর ৩০০ ফিটের সংবর্ধনা মঞ্চে ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ওসমান হাদি চেয়েছিলেন এই দেশের মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিক অধিকার ফিরে পাক।’
তিনি আরও বলেন, ‘২৪ এর আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন, ওসমান হাদিসহ একাত্তরে যারা শহীদ হয়েছেন, বিগত স্বৈরাচারের আমলে বিভিন্নভাবে যারা খুন ও গুমের শিকার হয়েছেন। এই রক্তের ঋণ যদি আমরা শেষ করতে চাই, তাহলে আসুন, আমরা সেই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলি। সকলে মিলে কাজ করি।’
তারেক রহমান বলেন, আজ আমাদের সময় এসেছে সকলে মিলে দেশ গড়ার। এখানে পাহাড়ে যেমন মানুষ রয়েছে, তেমনি সমতলে রয়েছে। এখানে হিন্দু-বৌদ্ধ সকল ধর্মের মানুষ রয়েছে। তরুণ নারী-পুরুষ-কৃষক প্রত্যাশা রয়েছে রাষ্ট্রের কাছে, আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ হই, তাহলে সকলের আশা প্রত্যাশা পূরণ করতে পারি। ১৯৭১ সালে আমাদের শহীদেরা যে রকম দেশ গড়ার জন্য চেয়েছিলেন। গত ১৫ বছর মা-বোনেরা, তরুণপ্রজন্ম নিজের জীবন উৎসর্গ করেছে। ওসমান হাদীসহ যারা শহীদ হয়েছে তাদের প্রত্যাশিত দেশ গড়া সম্ভব। ধৈর্য ধরতে হবে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে এসে সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
তারেক রহমান আরও বলেন, রাব্বুল আলামিনের দরবারে শুকরিয়া, আপনাদের দোয়ায় প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরে আসতে পেরেছি। ১৯৭১ সালে লাখো মানুষের জীবনের বিনিময়ে দেশ স্বাধীন হয়, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর আধিপাত্যবাদ থেকে ফিরিয়ে আনা হয়, ১৯৯০ সালে গণতন্ত্র ফিরে আসে। আর ২০২৪ সালে ছাত্রজনতা, গৃহবধূ, মাদ্রাসা ছাত্রসহ সকলে মিলে সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছে। মানুষের কথা বলার অধিকার, গণতন্ত্রের অধিকার, ফিরে পেতে চাই।