
পঞ্চগড়ে সীমান্তে আবারও ২৩ জনকে পুশইন করেছে বিএসএফ। এদের মধ্যে ১৩ জন নারী ৯ জন পুরুষ এবং একজন শিশু। বুধবার ভোরে সদর উপজেলার হাড়ি ভাষা ইউনিয়নের বড়বাড়ি সীমান্ত এলাকা দিয়ে তাদের পুশইন করা হয়। পরে সকালে ঘাগড়া বড়বাড়ি এলাকায় চলাফেরা করতে দেখে ঘাগড়া বিওপির টহল দল তাদের আটক করে থানা পুলিশে হস্তান্তর করে। পুলিশ তাদের নাম ঠিকানা যাচই বাছাই করছে। সঠিক পরিচয় নিরূপণ করে তাদের অভিভাবকের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আটককৃতরা হলেন- যশোর জেলার মনিরা শেখ (৪০), নবী গাজি (৪৫), বুল বুল মিনহা (৩৫), নাসরিন (২৯) ফারুক হোসেন (৩৫), মেহেরুন (৪০), হযরত আলী (৫৬), করিম ডালি (৩১), সোহেল (১৩), সাহেরা খাতুন (৪০), সাতক্ষীরা জেলার রবিউল ইসলাম আব্দুস সালাম (২৩), সাবানা খাতুন (৪৫), সাফিয়া খাতুন (৪৫), রোজিনা মোল্লা (৪০), দেড় বছরের শিশু আকাশ ইকবাল হোসেন (২৮), পারভিন খাতুন (৩৮), মাফিজা (১১), সাজু (১৫), নড়াইল জেলার রাবেয়া খাতুন (৪৫) পুলমতি (৪৫), এবং লালমনিরহাট জেলার তানিয়া আক্তার (২৫) নড়াইল জেলার রাবেয়া খাতুন (৪৫)।
সীমান্ত সূত্র জানায়, বুধবার ভোরে হাড়ি ভাষা ইউনিয়নে নীলফামারী ৫৬ বিজিবির আওতাধীন ঘাগড়া বিওপির বিওপির সীমান্ত পিলার ৭৫৭/০২এস হতে এর ৬০০ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে হাড়িভাসা এলাকায় বিএসএফ তাদের ঠেলে দেয়। পরে বিজিবি আটককৃতদের সদর থানায় হস্তান্তর করে। পুলিশ বলছে থানায় তাদের নাম ঠিকানা যাচাই বাছাই করা হচ্ছে। আপাতত তাদের পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। সঠিক পরিচয় পাওয়ার পর আত্মীয় স্বজনের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
পঞ্চগড় সদর থানার (ওসি) আব্দুল্লাহ হিল জামান জানায় বিজিবি কর্তৃক ২৩ জন নারী পুরুষ শিশুকে থানায় হস্তান্তর হয়েছে। নাম ঠিকানা যাচাই করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয়া হবে।